অরুণকান্তি কে গো যোগী ভিখারী
অরুনাকান্তি কে গো (চন্দন মিত্র)
অঝোর ধারায় বর্ষা ঝরে
অগ্নিগিরি ঘুমন্ত (ঐশ্বরিয়া সমাদ্দার)

জাগো মালবিকা জাগো মালবিকা
জাগো হে রুদ্রানী
জনম জনম গেলো আশা পথ চাহি
জনম জনম তব তরে কাঁদিব
জয়বাণী বিদ্যাদায়িনী
জানি পাবোনা তোমায়
জানি পাবো না তোমায়
জরিন হরফে লেখা
জনম জনম গেলো
জল ছল ছল এস মন্দাকিনী
জয় আনন্দ ভৈরব

ঝুরু ঝুরু বারি ঝরে গগনে

মম তনুর ময়ূর সিংহাসনে
মধুর ছন্দে (অলকানন্দা সুবৃতা)
মদালস (তাহমিনা ইসলাম তানি)
মম তনুর ময়ূর (সুজাতা প্রিয়া)
মুর্শিদ পীর বলো বলো
মৃদুল মন্দে মঞ্জুল ছন্দে
মুখে কেনো নাহি বলো
মাগো তোমার সবুজ চাদরে
মম বন ভবনে ঝুলানো দোলনা
মাগো তুমি কৃষ্ণচূড়া কি পলাশ শিমুল
মালা গাঁথা
মনে রাখার দিন
মোর না মিটিতে আশা
মোরা আর জনমে
মোরা ছিনু একেলা
মালা গাঁথা শেষ না হতে
মোর না মিটিতে আশা
মোর না মিটিতে আশা
মনজু মধুছন্দা নিত্যা তব সঙ্গী
মদালস ময়ূর বিনা কার বাজে
মম বন ভবনে (নওশিন তাবাসসুম)

আনো আনো অমৃত বারি
আকাশে ভোরের তারা (দেবযানী রায়)
আজকে গানের বান এসেছে
আমার ভবের অভাব
আমার ভবের অভাব লয় হয়েছে
আঁধার রাতে কেগো একেলা
অগ্নিগিরি ঘুমন্ত উঠিলো জাগিয়া
আমার বিফল পুজাঞ্জলি
আজকে গানের বান এসেছে
আমার হৃদয় শামাদানে
আঁধারে ভীত এ চিত্ত যাচে
আঁধারে এলকেশ ছড়িয়ে এলো
আমার নয়নে নয়ন রাখি
আসে বসন্ত ফুলবনে
আজ নয় গুনগুন
আমার দেশের মাটির গন্ধে
আমার যাবার সময় হলো
আমি চিরতরে দূরে চলে যাবো
আমি কুল ছেড়ে
আমি নতুন করে গড়বো ঠাকুর
আধো ধরনী আলো আধো আঁধার
আজ সকালের সূর্য ওঠা
আকাশে ভোরের তারা
আমি সূর্যমুখী ফুলের মত
আমি এখনো কাঁদতে পারি
আমি কুল ছেড়ে চলিলুম ভেসে
আমি আপন করিয়া
আল্লাহ হতে যার পূর্ণ ঈমান
আঁধার মনের মিনারে
আজি তোমার কাছে
আমি আকৃতি অধম
আমি বাঁধিনু তোমার
আমরা এমনি এসে ভেসে
আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে
আজি বিজন ঘরে
আমার রাত পোহালো
আধো ধরণী আলো (শ্রাবন্তী ধর)
আজ সকালের সূর্য ওঠা (সুপ্তিকা মণ্ডল)
আমার নয়নে নয়ন রাখি (নাহিয়ান দুরদানা শুচি)
আমি নতুন করে গড়বো ঠাকুর (তমা সরকার)
আমার বিফল পুজাঞ্জলী (স্বরলিপি)

যে বিশ্বাসে তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখি
আঁযোগী শিব শংকর
যার ছায়া পড়েছে
যে রাতে মোর দুয়ারগুলি

রস ঘনশ্যাম কল্যাণ (ফারাহ দিবা খান লাবণ্য)
রে অবোধ শূন্য শুধু
রাখো রাখো রাঙ্গা পায়
রিমঝিম রিমঝিম বর্ষা এলো
রসঘন শ্যাম কল্যাণ সুন্দর
রসগহন শ্যাম কল্যাণ সুন্দর
রাঙ্গা জবার বায়না ধরে
রিমঝিম রিম ঝিম ঝিম ঘন দেয়া বরষে
রিম ঝিম রিম ঝিম ঝিম ঘন দেয়া বরষে
রে অবোধ শূন্য শুধু (অভিজিত কুণ্ডু)

ঊষা এলো চুপিচুপি

ডাকতে তোমায় পারি যদি
ডাকতে তোমায় পারি যদি (শুক্লা পাল সেতু)

লোকে বলে রাগ নাকি
লাজুক লাজুক চোখে

এ নহে বিলাস বন্ধু
এসো শঙ্কর ক্রোধাগ্নি
এসো সারদপ্রাতের পথিক
এসো শারদ প্রাতে (শেখ শায়লা)
এই বাংলার মাটিতে
এলো ঐ বনান্তে পাগল বসন্ত
এসো চিরজনমের সাথী
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে
এসো শংকর ক্রোধাগ্নি
এসেছি তব দ্বারে
এলেনা তুমি ওগো সজনী
এই নীল নীল নিঃসীম
এইতো হেথায় কুঞ্জ ছায়ায়
একি সোনার আলোয়
একটা গান লিখো
এলো এলো রে বৈশাখী ঝড় এলো
এলো কৃষ্ণ কানাইয়া তমালবনে
এখনো ঘর ভাঙ্গে না তোর যে
একটুকু ছোঁয়া লাগে
এলে তুমি কে ওগো তরুনা
এসেছি তব দুয়ারে (জারিফ ইকরাম)

তরুণ অশান্ত কে বিরহী
তোমারেই আমি চাহিয়াছি প্রিয়
তোমারেই আমি চাহিয়াছি প্রিয়
তুমি আমায় যবে জাগাও গুণী
তুমি সুন্দর হতে সুন্দর
তুমি ভোরের শিশির
তুমি আমায় যবে জাগাও গুণী
তুমি বরষায় ঝরা চম্পা
তোমার বীণার মূর্ছনাতে
তোমার বীণার মূর্ছণাতে
তুমি বর্ষায় ঝরা চম্পা
তুমি চিরকাল আমার বুকের ধন
তুমি কি মধুর সোনা রুপার বাড়ি
তরুণ অশান্ত কে বিরহী
তুমি সুন্দর কপট হে নাথ
তুমি বড় বেশি
তুমি চিরকাল আমার বুকের ধন
তুমি সাত সাগরের ওপার হতে
তুমি শুনিতে চেওনা আমার মনের কথা
তুমি কখন এসে
তুমি যে আমার কবিতা
তুমি সন্ধ্যায় আকাশের তারার মত
তুমি শুনতে চেও না
তুমি গাও গো
তুমি সুন্দর হতে সুন্দর (মাসুদা আনাম কল্পনা)
তুমি রবে নীরবে
তোমার বীণার মূর্ছনাতে (শামীমা পারভীন)

শান্ত হও শিব
শ্রান্ত বাঁশরী সকরুণ সুরে
শ্রাবণের মেঘ এসে জমে শুধু আঁখিতে
শিউলি ফুলের মালা দোলে
শোকই সাপের মণি
শ্রাবণ ঝুলাতে
শুধু তোমার বাণী

ও আমার বাংলা মা তোর
ও আমার দেশের মাটি
ওরে কে বলে আরবে নদী নাই
ওগো অন্তর্যামী
ওগো মোর গীতিময়
ওগো তোমার চক্ষু

দিনের সকল কাজের মাঝে
দিও বর হে মোর স্বামী
দীপকমালা গাঁথ গাঁথ সই
দোলে ঝুলন দোলায়
দীপ নিভিয়াছে ঝড়ে
দূর বনান্তের পথ ভুলি
দেবযানীর মনে
দুটো অক্ষরে প্রেম
দেখে যেন মনে হয়
দূর আজানের মধুর ধ্বনি
দেবযানীর মনে (পপি আকতার)
দিও বর হে মোর স্বামী (প্রিয়ন্তু দেব)
দোলে ঝুলন দোলায় (গৌরি নন্দী)

সই ভাল করে বিনোদ বেনী
সতীহারা উদাসী ভৈরব কাঁদে
সদা মন চাহে (সানজিদা বীথিকা)
সোনার চাঁপা ভাসিয়ে দিয়ে
সখি সে হরি কেমন বল
স্নিগ্ধ শ্যাম কল্যাণ রূপে
সাঁজের আঁচল রহিলো হে প্রিয়
সদা মন চাহে মদিনা যাবো
সুখে আছি কি করে ভাবলে
স্ৃতির কপাট খুলে খুলে
সে চলে গেছে
সুন্দর অতিথি এসো এসো
সন্ধ্যায় গোধুলি
সুরে ও বানীর মালা দিয়ে তুমি
সুরেও বাণীর
সুখের ভবনে
সুরেও বাণীর মালা দিয়ে তুমি
সন্ধ্যায় গোধুলি লগনে
সোনার কাঠি রুপোর কাঠি
স্থির হয়ে তুই বস দেখি
সে কেনো দেখা দিলো রে
সখা তোমারে পাইলে
সজল কাজল শ্যামল
সজল কাজল শ্যামল এস

কেন উচাটন মন পরান এমন করে
কেন করুণ সুরে (মাসুদা আনাম কল্পনা)
কেন করুণ সুরে (জেমিমা জেমি)
কেনো কাঁদে পরান
কে ডাকিলে আমারে
কে ডাকিলে আমারে
কুল রাখো না রাখো
কালো জল ঢালিতে সই
কি নাম ধরে ডাকবো
কোন সে সূদুর অশোক কাননে
কতযুগ পাইনি তোমার দেখা
কেদোনা কেদোনা মাগো
কেনো করুণ সুরে
কানে আজও বাজে আমার
কে জেনো আজ
কিছু আগে হলে
কাছে আমার নাই এলে
কবি সবার কথা কইলে
ককারও ভরসা করিস নে তুই
কেদোনা কেদোনা মাগো
কেনো করুণ সুরে
কে ডাকিলে আমারে (প্রেমা দাস)
কালো জল ঢালিতে সই (শর্মীষ্ঠা দাস)

না মিটিতে আশা ভাঙ্গিল খেলা
নয়ন যে মোর বারণ মানে না
নয়ন মুদিল কুমুদিনী হায় (দীপ্র নিশান্ত)
নিরন্ধ্র মেঘে মেঘে অন্ধ গগন
নদীর নাম সই অঞ্জনা
নদীর স্রোতে মালার কুসুম (সুরান্তর)
নম নম বাংলাদেশ মম
নুপুর মধুর রুনুঝুনু বলে
নতুন খেজুর রস এনেছি
নুপুর মধুর রুনুঝুনু বলে
নয়ন মুদিলো কুমুদিনী হায়
নৃত্যকালী শংকর সঙ্গে
নারায়ণী উমা খেলে হেসে হেসে
নারায়ণী উমা খেলে হেসে হেসে
না মিটিতে
নয়ন ভরা জল
নিরন্ধ্র মেঘে মেঘে
নিশি নিঝুম ঘুম নাহি আসে
নিশি নিঝুম ঘুম নাহি আসে
নাই হলো মা বাসন ভূষণ
নিশি নিঝুম
নাইবা পেলাম আমার গলায়

হয়তো তোমার পাবো দেখা
হে প্রবল দর্পহারী
হেমন্তিকা এসো এসো
দিও বর হে মোর স্বামী
হে মহামৌন তব প্রশান্ত গম্ভীর বাণী
হারানো দিনের কথা
হাসে আকাশে শুকতারা হাসে
হেরা হতে হেলেদুলে
হহায় কে দিবে

খোলা জানালায় চেয়ে দেখি
খোদার প্রেমে
খাতুনে জান্নাত ফাতেমা জননী
খেলাঘর বাধতে লেগেছি

পরজনমে দেখা হবে প্রিয়
পরজনমে দেখা হবে প্রিয়
প্রিয় যাই যাই বোলো না
পউষ এল গো
পৌষ এলো গো
পরানে দোলা দিলো
প্রিয় এমন রাত
প্রাণের ঠাকুর লীলা করে
প্রেমের নাম বেদনা
প্রিয় এমন রাত যেন যায়না বৃথা
পিয়া গেছে কবে প্রদেশ
প্রপ্রেমে জল নাহি
ত্র

ত্রিভুবনের প্রিয় মোহাম্মদ

গহন বোনে শ্রীহরি নামের
গগনে পবনে আজি
গাঙ্গে জোয়ার এলো ফিরে
গানগুলি মোর
গানগুলি মোর
গানেরই খাতায় স্বরলিপি
গুন্ঠন খোলো পারুল মঞ্জরী
গানগুলি মোর আহত পাখির সম
গঙ্গা সিন্ধু নর্মদা
গঙ্গা সিন্ধু নর্মদা
গাঁয়ে আমার পুলক
গুণ্ঠন খোলো পারুল মঞ্জুরি (অর্পিতা চক্রবর্তী)

ফিরে গেছে সই এসে নন্দদুলাল
ফিরিয়া যদি সে আসে
ফিরিয়া যদি সে আসে (জেমিমা জেমি)

চোখের নেশার ভালোবাসা
চম্পা বনে বেনু বাজে

বরষা ঐ এলো (মারিয়াম মমিন মিলা)
বসন্ত মুখর আজি (শারমিন সুলতানা অনন্যা)
বনমালার ফুল জোগালি
বরষা এলো ওই বরষা
বনের তাপস কুমারী আমিগো (সুরান্তর)
বলেছিলে ভুলিবে না মোরে
বেলা পড়ে এলো
বিদায় বেলা করুন সুরে
বৈকালী সুরে গাও
বলেছিলে ভুলিবে না মোরে
বসন্ত মুখর আজি
বিশ্ব ব্যাপিয়া আছো তুমি
বসিয়া বিজনে কেনো
ব্রজগোপী খেলে হরি
বধুয়া নিদ নাহি
বহে নিরন্তরো
বাদল ও দিনের ও প্রথম কদম ফুল
বিদায় বেলায় করুণ সুরে (প্রমিতা দে)

ছাড়িতে পরান নাহি চাহে
ছাড়িতে পরান নাহি চায়

ভোরের হাওয়া এলে
ভুলিতে পারিনে তাই
ভাইয়ের ডোরে ভাই কেঁদে যায়
ভাইয়ের দোরে ভাই কেঁদে যায়
ভবানী শিবানী
ভেবোনা গো মা
ভীরু এ মনের কলি
ভগবান শিব জাগো জাগো
ভুলিতে পারিনে তাই
ভালো থাকি কি করে
ভীরু এ মনের কলি
ভরিয়া পরান শুনিতেছি গান
ভরিয়া পরান
ভীরু এ মনের কলি
ভবানী শিবানী (সায়ন্ত খান)
ভোরের হাওয়ায় এলে (সুদীপ্ত শুভ)